নবীজির সুন্নত অনুসরণে ৭ পুরস্কার
৩. বেহেশত প্রবেশ
সুন্নত অনুসরণ যে বেহেশতের পথে অগ্রসর হওয়া, তা রাসুল (সা.) স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার উম্মতের প্রত্যেকেই জান্নাতে প্রবেশ করবে, তবে যে অস্বীকার করবে, সে ছাড়া।’ সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আল্লাহর রাসুল, কে অস্বীকার করবে?’ তিনি বললেন, ‘যে আমার আনুগত্য করবে, সে বেহেশতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে, সে-ই অস্বীকার করল।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭২৮০)
ছোট একটি আমলও যখন নবীজির অনুসরণে সম্পন্ন হয়, তখন তা আখিরাতের পাথেয় হয়ে ওঠে।
৪. বেহেশতে নবীজির সান্নিধ্য
রাসুলকে ভালোবাসার একটি অনন্য পুরস্কারের কথা এসেছে হাদিসে। এক ব্যক্তি বললেন, তাঁর পরকালের প্রস্তুতি খুব বেশি নেই, তবে তিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে ভালোবাসেন। নবীজি (সা.) বলেন, ‘তুমি তার সঙ্গেই থাকবে, যাকে তুমি ভালোবাসো।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬৩৯)
অন্য হাদিসে নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে আমার সুন্নতকে ভালোবাসল, সে আমাকে ভালোবাসল, আর যে আমাকে ভালোবাসল, সে বেহেশতে আমার সঙ্গে থাকবে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৬৭৮)
ভালোবাসা যখন সত্য হয়, তখন তা অনুসরণে প্রকাশ পায়। নবীজির চরিত্র, ইবাদত, নম্রতা, দয়া ও জীবনাচরণকে নিজের জীবনে ধারণ করা সেই ভালোবাসারই দৃশ্যমান সাক্ষ্য।
৫. পুণ্যবানদের সঙ্গ লাভ
পরকালের আরেকটি মহামূল্য পুরস্কার হলো পুণ্যবান মানুষের সান্নিধ্য। আল্লাহ বলেন, ‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করবে, সে তাদের সঙ্গে থাকবে, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন—তাঁরা হলেন নবী, সিদ্দিক, শহীদ ও সৎকর্মশীল। আর তারা কতই না উত্তম সঙ্গী!’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৬৯)
