পড়ো: প্রথম ওহির সৌন্দর্য | প্রথম আলো


মানুষের জ্ঞানের প্রকৃতি

পঞ্চম আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তিনি মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন যা সে জানত না।’ (সুরা আলাক, আয়াত: ৫)

মানুষ জন্মগতভাবে সবকিছু জানে না। তার জ্ঞান অর্জিত, সীমিত এবং ক্রমবর্ধমান। আজ যে বিষয়টি অজানা, আগামীকাল তা আবিষ্কৃত হতে পারে, কিন্তু জ্ঞানের পরিধি যতই বাড়ে, অজানার বিস্তৃতিও তত স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সত্যিকারের জ্ঞান মানুষকে ‘আমি সব জানি’ বলার সাহস দেয় না, বরং নিজের অজ্ঞতার পরিধি বুঝতে শেখায়।

প্রথম ওহির সৌন্দর্য

প্রথম ওহির অসাধারণ সৌন্দর্য হলো, এখানে জ্ঞান এসেছে ইমানের ছায়ায়। পড়া, সৃষ্টি, কলম ও শিক্ষা—প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গেই স্রষ্টার পরিচয় ও অনুগ্রহের কথা জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্ট হয়, ইসলামের শিক্ষাপ্রকল্প কেবল মেধাবী মানুষ তৈরি করতে চায় না, বরং বিবেকবান মানুষ গড়তে চায়।

আজকের পৃথিবীতে তথ্যের অভাব নেই। মুহূর্তেই অসংখ্য তথ্য মানুষের হাতের মুঠোয় পৌঁছে যায়। প্রযুক্তির এই বিস্ফোরণ মানুষকে দ্রুতগামী করেছে ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে তাকে অস্থির, অসহিষ্ণু ও নৈতিকভাবে দিশাহীনও করে তুলছে।

‘পড়ো’ আহ্বান দিয়ে যে দ্বীন তার যাত্রা শুরু করেছে, সে দ্বীন মানুষকে কেবল পাঠক হতে বলেনি, তাকে সত্যান্বেষী, জ্ঞানের বাহক এবং স্রষ্টার অনুগত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

  • ফয়জুল্লাহ রিয়াদ: মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুস সুন্নাহ রাজাবাড়ী, ঢাকা



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *