ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানলের ঘটনায় চার শতাধিক গ্রেপ্তার, কিন্তু দায়ী কে


ল্য মঁদ পত্রিকাও (এই বিচার প্রক্রিয়ায়) সন্তুষ্ট নয়। এত অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশ এসব মামলা কতটুকু তদন্ত করতে পেরেছে, তা নিয়ে পত্রিকাটি প্রশ্ন তুলেছে।

পত্রিকাটির মতে, কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য নিয়ে চুপ আছে। নির্দিষ্ট অভিযোগগুলো কী, এগুলোতে ইচ্ছাকৃত অপরাধ জড়িত কি না এবং আগের বছরগুলোর তুলনায় এবারের সংখ্যাটা কেমন—এসব বিষয়ে কোনো পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই আগের বছরগুলোর সঙ্গে এর কোনো অর্থবহ তুলনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে বর্দো শহরের সরকারি কৌঁসুলি রেনড গাউদেউল ল্য মঁদকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এমন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়াই যৌক্তিক।

পত্রিকাটি তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘বন–জঙ্গলের ভেতর যারা সিগারেটের টুকরো ফেলে বা বারবিকিউ জ্বালায়, তাদের বিরুদ্ধে মানুষের জীবন বিপন্ন করার অভিযোগ আনা যায়। কারণ, আগুন লাগতে কেবল একটি ছোট্ট স্ফুলিঙ্গই যথেষ্ট।’

একটি আগুন কীভাবে শুরু হয়েছিল তা বের করা স্বাভাবিকভাবেই মোটেও সহজ কাজ নয়।

আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানকারী এক কর্মকর্তা এরিক দুফায়েট বুঝিয়ে বলেন, ‘বর্তমান সময়ের মতো এমন খরা পরিস্থিতিতে আগুন লাগানোর জন্য শুধু একটি সাধারণ লাইটারই যথেষ্ট।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *