বর্তমান সরকারের সময়ও গুমের অভিযোগ, নতুন বিল নিয়ে ভুক্তভোগীর স্বজনদের ক্ষোভ


অনুষ্ঠানে বাগেরহাটের নিখোঁজ মিরাজের স্ত্রী মুক্তা খাতুন বলেন, ‘আমি নিজে দেখছি, কোস্টগার্ড আমার স্বামীকে নিয়া গ্যাছে। এহন তারা অস্বীকার করে।’ তিনি বলেন, মিরাজ সুন্দরবনে মাছ ধরার পাশাপাশি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। ১০ এপ্রিল (চলতি বছর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে জয়মনির ঠোটা এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে মিরাজকে সাদাপোশাকে থাকা দুজন কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে তুলে নিয়ে যায়। এবং নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর মোটরসাইকেলটি দোকানি আল-আমিনের জিম্মায় রেখে যায়। পরে ২১ এপ্রিল কোস্টগার্ড সদস্য রবিন পরিচয়ে এক ব্যক্তি চাবি দিয়ে খুলে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান। পরে তারা অস্বীকার করে যে মিরাজ তাদের কাছে নেই।’ মুক্তা বলেন, ‘আমি আমার স্বামীকে ফেরত চাই।’

গুমের শিকার এমন ভুক্তভোগী পরিবারের আরেকজন আনিশা ইসলাম ইনশা। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ১৯ জুন তাঁর বাবা ইসমাইল হোসেন বাতেন মিরপুর–১ থেকে গুম হন। এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই সাত বছরেও বাবাকে পাননি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়েও গুম হচ্ছে। ছোট্ট মাহির এসেছে ছবি হাতে তার বাবাকে খুঁজতে। কান্না জড়ানো কণ্ঠে আনিশা বলেন, ‘আমি এ ঘটনার নিন্দা জানাই। নতুন এই আইনের নিন্দা জানাই। আমি আমার বাবাকে চাই। আমি ছোট্ট মাহির শেখের বাবাকে ফেরত চাই। আমি চাই আর কোনো গুম না হোক।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী পরিবারের আরেকজন আমেনা আক্তার। তিনি বলেন, তাঁর স্বামী ফিরোজ খান বিএনপির রাজনীতি করতেন। বরিশালের ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ২০১২ সালের ২৪ আগস্ট তাঁকে গুম করে তৎকালীন সরকার। সেই সময় র‍্যাব তাঁকে গুম করে। আজও তাঁর সন্ধান মেলেনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *