বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় হাজার হাজার মানুষ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে হাজার হাজার মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে কক্সবাজার পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তিনি হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে যাবেন। সেখানে মঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাঁশখালীর নির্ধারিত হেলিপ্যাডে প্রধানমন্ত্রীর অবতরণের কথা রয়েছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও কর্মসূচির আশপাশে সকাল থেকে হাজার হাজার মানুষ অবস্থান নিয়েছে।
বাঁশখালীতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। এ সময় বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়া ১০০ পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন থেকে ১০টি করে মোট ১০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন ঘর দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে ইতোমধ্যে এসব পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ঘরগুলো নির্মাণে আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করা হয়েছে। টিনের বেড়া ও ছাউনি দেওয়া এ সব ঘরকে দুর্যোগসহনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট এবং প্রস্থ ১২ ফুট। এতে দুটি কক্ষ রয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার রাখা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে বাঁশখালীতে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সড়কে মানুষ জড়ো হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা বলেন, সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার মানুষ কর্মসূচিস্থলে আসতে শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে উপকূলের নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।
কক্সবাজার থেকে হেলিকপ্টারে বাঁশখালী পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন এবং পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। এরপর তাঁর চট্টগ্রাম সফরের অন্যান্য কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
