বিলিয়ন ডলারের আমদানি পণ্যের ৫টিই জ্বালানি
শিল্পের কাঁচামাল ও ভোগ্যপণ্যেও বড় ব্যয়
জ্বালানির পাশাপাশি শিল্পের কাঁচামাল ও দেশে প্রক্রিয়াজাত হওয়া ভোগ্যপণ্যও বিলিয়ন ডলারের আমদানি পণ্যের তালিকায় বড় জায়গা দখল করেছে। তুলার পর ইস্পাতশিল্পের কাঁচামাল স্ক্র্যাপ বা পুরোনো লোহার টুকরা আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া গম আমদানিতে খরচ হয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন ডলার। আর পাম তেল আমদানিতে খরচ হয়েছে ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন এবং সয়াবিনবীজে ১ দশমিক শূন্য ৭ বিলিয়ন ডলার।
তুলা, স্ক্র্যাপ, গম, পাম তেল ও সয়াবিনবীজ—এই পাঁচ পণ্য আমদানিতে সব মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার; অর্থাৎ শিল্পের কাঁচামাল ও ভোগ্যপণ্যের উল্লিখিত ৫ ধরনের পণ্যের তুলনায় ৫ ধরনের জ্বালানি পণ্য আমদানিতে প্রায় ২৭ কোটি ডলার বেশি খরচ হয়েছে।
তুলা মূলত রপ্তানিমুখী বস্ত্র ও তৈরি পোশাকশিল্পের কাঁচামাল। স্ক্র্যাপ ব্যবহৃত হয় ইস্পাতশিল্পে। সয়াবিনবীজ মাড়াই করে ভোজ্যতেলের পাশাপাশি প্রাণিখাদ্যের কাঁচামাল সয়াবিন মিল উৎপাদিত হয়। অন্যদিকে গম ও পাম তেল দেশে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারজাত করা হয়।
বিলিয়ন ডলারের তালিকায় একমাত্র সার হলো ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট বা ডিএপি। বিদায়ী অর্থবছরে এই সার আমদানিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।
