বুফে খাওয়ার বিধান | প্রথম আলো


প্রথমত, নিজের রুচি ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে খাবার গ্রহণ করা। কারণ, অতিভোজন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দ্বিতীয়ত, কোনো অবস্থাতেই খাবার যেন নষ্ট বা অপচয় না হয়। তাই যতটুকু খাওয়া সম্ভব, ঠিক সে পরিমাণই খাবার গ্রহণ করা। 

প্রয়োজনে পরে আবার নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু অতিরিক্ত নিয়ে ফেলে দেওয়া বা নষ্ট করা ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমরা খাও, পান করো; কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা আরাফ, আয়াত: ৩১)

বুফে খাবারের প্রচলিত নিয়ম হলো, গ্রাহক নির্ধারিত মূল্যের বিনিময়ে নিজের ইচ্ছামতো যত খুশি খেতে পারবেন। তবে খাবার সঙ্গে নিয়ে যাওয়া বা অন্য কাউকে খাওয়ানোর অনুমতি থাকে না। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে বুফের ক্ষেত্রে শুরুতেই খাবারের পূর্ণ মালিকানা গ্রাহকের কাছে হস্তান্তর করা হয় না। 

বরং তাকে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। অতঃপর তিনি যে পরিমাণ খাবার গ্রহণ করে ভক্ষণ করেন, সে পরিমাণের ওপরই তার মালিকানা কার্যকর হয়।

তবে কেউ যদি বড় পাত্র থেকে খাবার তুলে নেন, কিন্তু তা না খান, তাহলে এর বিধান স্থানীয় প্রচলিত রীতিনীতির ওপর নির্ভর করবে। যদি প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী থালায় নেওয়া খাবার আর মূল পাত্রে ফেরত দেওয়া না হয় এবং তা গ্রাহকের জন্যই নির্ধারিত হয়ে যায়, তাহলে সেটি তার মালিকানায় গণ্য হবে। 

পক্ষান্তরে যদি প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তা ফেরত দেওয়া হয় এবং গ্রাহকের মালিকানা হিসেবে ধর্তব্য না হয়, তবে সেটি তার মালিকানা হিসেবে বিবেচিত হবে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *