ব্যবস্থাপনার সমস্যায় কেন ভুক্তভোগী কৃষক
কৃষির ওপর নির্ভরশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও গ্যাসসংকটের কারণে বাংলাদেশ সার আমদানিনির্ভর দেশ। ফলে যুদ্ধ, মহামারিসহ যেকোনো বৈশ্বিক সংকটেই সারের সরবরাহব্যবস্থা বিঘ্নিত হলে দেশের অর্থনীতি ও কৃষির ওপর তার প্রভাব পড়ে।
সরকারের তরফ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে দেশে সারের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, দেশের অনেক এলাকায় কৃষকেরা তাঁদের প্রয়োজনমতো সার পাচ্ছেন না। কোথাও কোথাও ডিলাররা একজন কৃষকের কাছে এক বস্তার বেশি সার বিক্রি করছেন না। এ পরিস্থিতিতে সারসংকট মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ মাঠপর্যায়ে কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে দ্য ডেইলি স্টার–এর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, দেশে জুলাই-সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে সারের চাহিদা থাকে ১৩ দশমিক ২১ লাখ টন। গত পরশু পর্যন্ত সরকারি গুদামে মজুত ছিল ১২ লাখ ৪৫ হাজার টন সার। এর বাইরেও ডিলারদের কাছে ২ থেকে ২ দশমিক ৫ লাখ টন সার মজুত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারি সারের মজুত থাকার পরও কেন কৃষকেরা প্রয়োজনমতো সার পাচ্ছেন না? কেন তাঁদের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে হচ্ছে?
