মাইদুল বদলেছেন, বদলেছে কৃষিও | প্রথম আলো


মাসে তৈরি হয় ৭–৮ টন সার

মাইদুলের বাড়ির উঠানে গেলে চোখে পড়ে সার তৈরির ব্যস্ততা। টিনের চালার নিচে সারি সারি সিমেন্টের রিং। কোথাও গোবর, কোথাও কেঁচো, আবার কোথাও তৈরি হয়ে আছে ব্যবহারের উপযোগী কেঁচো সার।

মাইদুল জানান, বর্তমানে মাসে সাত থেকে আট টন কেঁচো সার উৎপাদন করেন তিনি। শেরমস্ত ও আশপাশের গ্রামের কৃষকেরা তো বটেই, বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও মানুষ তাঁর কাছ থেকে সার কিনে নিয়ে যান। এই সার তৈরির মূল উপাদান গোবর। গোবর কেনা, শ্রমিকের খরচসহ প্রতি কেজি কেঁচো সার উৎপাদনে তাঁর খরচ পড়ে গড়ে ৬ টাকা। মাইদুল সার বিক্রি করেন ১৩ টাকা কেজি দরে। সার তৈরি হতে সময় লাগে ৩০ থেকে ৩৫ দিন।

আরও টুকটাক কিছু খরচ বাদ দিয়ে কেঁচো সার বিক্রি করে মাসে মাইদুলের ৪০ হাজার টাকার মতো আয় হয়। তিনি বলেন, শেরমস্তসহ আশপাশের গ্রামের অনেক মানুষ তাঁর কাছ থেকে কেঁচো সার তৈরির কৌশল শিখেছেন। তাঁরা নিজেদের জমিতে সার ব্যবহার করছেন। অনেকে আবার সার ও কেঁচো বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *