যে অ্যাভোকাডো খেত কুকুর, এখন তা চাষে ঝুঁকছেন ভারতের কৃষকেরা


চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম
ভারতে অ্যাভোকাডোর উৎপাদন বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার টন অ্যাভোকাডো আমদানি হয়। বিপরীতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় মাত্র ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার টন।

ভারতে অ্যাভোকাডোর বাণিজ্যিক চাষ প্রসারে কাজ করা মণিলাল পাল্লিয়াথ বলেন, ‘বাজার নিয়ে আমরা যখন গবেষণা করেছি, তখন চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ব্যবধান দেখতে পেয়েছি।’

মণিলাল পাল্লিয়াথের মতে, কৃষকদের জন্য অ্যাভোকাডো চাষ বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রচলিত কিছু ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকদের ফসলের বৈচিত্র্য আনা জরুরি হয়ে পড়েছে।

মণিলাল বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে কফি ও গোলমরিচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই কৃষকদের জন্য ফসলের বৈচিত্র্য আনা এখন অপরিহার্য।

তবে স্থানীয় উৎপাদনে মান ও সরবরাহের ধারাবাহিকতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

মুম্বাইয়ের হসেইন শাহজাদ হাঙ্গার ইনকরপোরেটেড হসপিটালিটির নির্বাহী শেফ। তাঁর চারটি রেস্তোরাঁ রয়েছে।

হসেইন বলেন, ভারতে উৎপাদিত অ্যাভোকাডোর মান উন্নত হচ্ছে। স্থানীয় জাত নিয়ে কাজ করছেন, এমন কয়েকজন ভালো কৃষকও আছেন। তবে মৌসুম ও অঞ্চলভেদে ফলের মান ও সরবরাহে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *