রাতের আঁধারে কুষ্টিয়ার সেই পীরের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন, পরে যা হলো
খবর পেয়ে আজ দুপুরে ঘটনাস্থলে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাশ ও দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান। এ সময় তাঁদের সঙ্গে পুলিশের ২০ থেকে ২৫ সদস্যের একটি দল ছিল।
প্রদীপ কুমার দাশ প্রথম আলোকে বলেন, তিনি দরবারে গিয়ে নতুন মাটি দেওয়া জায়গা দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনকে দিয়ে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। পরে কবরস্থানে গিয়ে পুরোনো কবর খোঁড়ার আলামত দেখতে পান। সেখানকার কবরটি খুলে মরদেহ না দেখে নিশ্চিত হন, দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে তা তুলে দরবারে দাফন করেছে। এরপর বিকেল চারটার ওই মরদেহ পুরোনো কবরে দাফন করা হয়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া মরদেহ তোলার কোনো বিধান নেই। যারা এ কাজ করেছে, তাদের ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
