‘সামিদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিক দিয়ে বের হয়ে যায়’


জবানবন্দিতে নাসির উদ্দিন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে টঙ্গী থেকে তিনি ও বন্ধু সামিদসহ চার-পাঁচজন ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির উদ্দেশে বের হন। সেদিন বেলা দুইটার দিকে তাঁরা উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকায় পৌঁছান।

আড়াইটার দিকে উত্তরা পূর্ব থানার দিক থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করেন। তখন তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে সামিদকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাঁরা। সামিদের ফোনে অনেক কল দেন তাঁরা, কিন্তু কল রিসিভ হচ্ছিল না।

নাসির উদ্দিন আরও বলেন, সেদিন বিকেল পাঁচটার দিকে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে তাঁর কাছে ফোন আসে। অপর প্রান্ত থেকে তাঁকে উত্তরা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যেতে বলা হয় এবং জানানো হয় সামিদ সেখানে আছেন। হাসপাতালে খোঁজাখুঁজির পর নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) সামিদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পান তিনি। সামিদের কপালে গুলি লেগে মাথার পেছন দিক দিয়ে বের হয়ে গিয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *