সেই নাগরিক সেবাকেন্দ্রে তালা, নেই সেবাদানকারী ও সেবাপ্রার্থী


পাইলট প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর গুলশান, উত্তরা, নীলক্ষেত, গুলিস্তান, মোহাম্মদপুর ও বনশ্রী—এই ছয় জায়গায় ছয়টি সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। বাছাই করা উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সনদ দেওয়া হয়।

পরিকল্পনা ছিল, নাগরিকেরা কেন্দ্রে এসে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেবেন, নির্দিষ্ট সময় পর সেবা বুঝে নেবেন। যেমন বলা হয়েছিল, পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে না। নাগরিক সেবাকেন্দ্রে আবেদনসহ আঙুলের ছাপ দেওয়া যাবে।

নীলক্ষেতের কেন্দ্রটি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কার্যালয়ের দুটি কক্ষ নিয়ে চালু করা হয়েছিল। ২৭ আগস্ট দুপুরে গিয়ে সেখানে তালা ঝুলতে দেখা যায়। একজন নিরাপত্তা প্রহরী প্রথম আলোকে বলেন, উদ্যোক্তাকে আর দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে সাইনবোর্ড দেখে দু-একজন করে সেবাপ্রার্থী এসে কাউকে না পেয়ে চলে যান।

নীলক্ষেত কেন্দ্রের উদ্যোক্তা রাজিত খান প্রথম আলোকে বলেন, সেবাপ্রার্থীদের যেসব সেবা দেওয়ার কথা ছিল, তার কিছুই দেওয়া যাচ্ছে না। সংসার চালাতে গেলে আয় দরকার। এ জন্য কেন্দ্র বন্ধ রেখে অন্য কাজে যুক্ত হয়েছেন তিনি।

গুলিস্তানের নাগরিক সেবাকেন্দ্রের কার্যালয়টি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসের ভেতরে। ২৭ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কার্যালয়ের দরজায় তালা ঝুলছে। আশপাশে কোনো সেবাপ্রার্থীও নেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *