স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নির্ধারিত হয়নি: সিইসি


স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি অনেকটাই সম্পন্ন হলেও সময়সূচি চূড়ান্ত করার আগে দুর্গাপূজা, বর্ষাকাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা এবং শিক্ষকদের ভোটের দায়িত্বে নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক লিডারশিপ ফর বাংলাদেশ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিইসি এসব কথা বলেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ সরকার নির্ধারণ করবে না। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করা হবে, তবে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি অযথা বিলম্বিত করার মতো নয়। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ধরন কিছুটা ভিন্ন। অতীতে এসব নির্বাচনে সহিংসতা বেশি দেখা গেছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের মাথায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথাযথভাবে মোতায়েন ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হবে।

জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে কমিশন অনেক শিক্ষা পেয়েছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগের নির্বাচনের তুলনায় আরো ভালো করার চেষ্টা থাকবে। কমিশন যে মানদণ্ড তৈরি করেছে, তার নিচে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই; বরং সম্ভব হলে সেই মান আরও উন্নত করা হবে।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশন একা প্রস্তুতি নিলেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। পুলিশসহ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সব বাহিনী ও সংস্থার প্রস্তুতিও প্রয়োজন। নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, পুলিশের মহাপরিদর্শকের সঙ্গে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

এদিকে, রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে অনুযায়ী কমিশন কাজ করছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *