হাসপাতালে এক্স-রে না করেই ফিরতে হলো কামরুলকে, সন্তানকে নেবুলাইজ করতে পারলেন না মিনু


জেনারেটর আছে, ডিজেল নেই

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের চিকিৎসাসেবা চালু রাখতে এক ব্যক্তির দান করা একটি জেনারেটর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। কিন্তু ডিজেলের বরাদ্দ না থাকায় সেটি প্রয়োজনের সময় চালানো যায় না।

হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জেনারেটর থাকলেও ডিজেল না থাকায় সেটি চালানো যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা থাকে না। যন্ত্রনির্ভর সব কাজ বন্ধ থাকে। এক্স-রে, প্যাথলজি ও নেবুলাইজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো দেওয়া যায় না। দুই থেকে তিন মাস ধরে লোডশেডিংয়ের কারণে এমন সমস্যা বেশি হচ্ছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে একটি আইপিএস রয়েছে। তবে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকলে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। জরুরি রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু যন্ত্রপাতি বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসকদের কাজ ব্যাহত হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *