চড়-লাথিতে ফাটলো তিন বছরের শিশুর কানের পর্দা, সিসিটিভিতে ভয়ংকর দৃশ্য


ভারতের দিল্লির এক ডে কেয়ার সেন্টারে এক শিশুকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে, ভাইরাল এক সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ডে কেয়ার সেন্টারের এক শিক্ষিকা ছোট শিশুটিকে চেয়ারে বসা অবস্থায় পা দিয়ে লাথি দিচ্ছেন এবং চড় দিচ্ছেন। এতে শিশুটির কানের পর্দা ফেটে যায় ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান শিশুটির বাবা।

পরবর্তীতে শিশুটির অভিভাবক সিসিটিভি ফুটেজে বাচ্চাকে নির্যাতনের ওই রোমহর্ষক ভিডিও দেখে ফেললে বিষয়টি জানাজানি হয়।

তিন বছর বয়সী শিশুটির বাবা বলেন, প্রতিদিন সকালে যখন সে ঘুম থেকে ওঠে তখন থেকেই স্কুলের (ডে কেয়ার সেন্টার) কথা ভেবে আর সে কান্না থামাতে পারে না।

উত্তরপূর্ব দিল্লির মজপুর এলাকার একটি ডে কেয়ার সেন্টারে এ ঘটনা ঘটেছে।

সিসিটিভির আরেকটি ফুটেজে দেখা যায়, অন্য আরেকজন নারী (কেয়ারটেকার হতে পারেন) তীব্রভাবে শিশুটিকে ধরে ঝাঁকাচ্ছেন।

দিল্লি পুলিশ এ ঘটনায় পোসকো আইনে একটি মামলা নথিভুক্ত করেছে। মামলায় ওই ডে কেয়ার সেন্টার ও স্কুলটির পরিচালক সুনিতা বানসাল, অধ্যক্ষ নীলাম, শিক্ষক সিমরান ও পূজা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক কেয়ারটেকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ভারতের এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিশুটির বাবা বলেন, সে প্রতিদিন সকালে ঘুমে থকে উঠেই কান্না শুরু করে। সে ভাবে তাকে আমরা স্কুলে পাঠিয়ে দেবো। সে কান্না থামায় না। আমি জানি না তার এ ট্রমা থেকে বেরিয়ে আসতে কতদিন লাগবে।

তিনি জানান, চিকিৎসকরা বলেছেন শিশুটির কানের ফেটে যাওয়া পর্দা এখনও সেরে ওঠেনি এবং তারা এখনও সিটি স্ক্যান করাতে ভয় পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, তার কানের ব্যথা এখনো কমছে না। সে এই ব্যথা সহ্য করতে পারছে না। নতুন করে টেস্টও করাতে পারছি না কারণ সে মেশিনগুলোর শব্দে আতঙ্কিত হচ্ছে।

এই সমস্যা তারা বেশ কয়েকদিন ধরেই লক্ষ্য করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একদিন যখন সে স্কুল থেকে ফিরলো তার মাথা ঘুরাচ্ছিল এবং সে বমি করলো। আমরা তাকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাই। তার দুই চোখেই জ্বালাপোড়া ছিল। তখন চিকিৎসক তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে বলেন।

এএমএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *