ছোট হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বড় শ্রমবাজার, নতুন বাজারের নামে প্রতারণা
সমস্যা হলো, কয়েক দশক ধরে শ্রমবাজারটি গুটিকয়েক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ বছরে মোট ২০৩টি দেশে কর্মী পাঠানো হয়েছে। এ সময় মোট কর্মী গেছেন ১ কোটি ১০ লাখের বেশি। এর প্রায় ৭৯ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র পাঁচটি দেশে। সব মিলিয়ে ৯৪ শতাংশ কর্মী গেছেন ১০টি দেশে।
বিদেশে কর্মসংস্থানের তালিকার শীর্ষে থাকা দেশের মধ্যে আছে সৌদি আরব, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কুয়েত, জর্ডান, বাহরাইন ও মালদ্বীপ। সবই এশিয়ার দেশ, যার মধ্যে সাতটি মধ্যপ্রাচ্যের। ৯৮টি দেশে দেড় দশকে ১০০ জন করেও কর্মী পাঠানো যায়নি। যদিও এসব দেশের অনেকগুলোর আর্থিক অবস্থা ভালো এবং শ্রমবাজারে চাহিদা রয়েছে।
নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশকেন্দ্রিক বাজারনির্ভরতা এখন জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সেসব দেশের কয়েকটিতে বাজার ছোট হয়েছে। অথবা নানা কারণে কর্মী পাঠানো বন্ধ।
মালয়েশিয়ায় ২০২৩ সালে কাজ নিয়ে যান সাড়ে তিন লাখের বেশি কর্মী। তবে অনিয়মের কারণে ২০২৪ সালের জুনে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। ওমানে ২০২৩ সালে কর্মী গিয়েছিলেন সোয়া লাখের বেশি। ২০২৪ সাল থেকে শ্রমবাজারটি কার্যত বন্ধ।
