মন ভালো করতে গিয়ে অভিনেত্রী
ওয়াহিদ তারেক ও ইমতিয়াজ সজীবের একটা প্রকল্পে কাজ করলেন। এসব কাজের শুটিং আর ডাবিংয়ে অনেকের সঙ্গে পরিচয় হলো। কয়েকটা বিজ্ঞাপনচিত্র করলেন। তত দিনে মোটামুটি একটা পরিচিতি তৈরি হয়ে গেছে। এর মধ্যেই পেয়ে গেলেন দ্বিতীয় সিনেমা, নূর ইমরান মিঠুর কুরকাব। সেই সিনেমার শুটিং শেষেই পেলেন এন রাশেদ চৌধুরীর সখী রঙ্গমালা সিনেমার অডিশনের ডাক। ফুলেশ্বরী চরিত্রে চূড়ান্ত হলেন। এরপর রায়হান রাফীর আন্ধার। অডিশনের পরে চূড়ান্ত হলেন। কিন্তু মনে একটু ভয়ও ছিল, আফসানা মিমি, চঞ্চল চৌধুরী, সিয়াম আহমেদ, নাজিফা তুষি, মোস্তফা মন্ওয়ার—এত অভিনেতার ভিড়ে হারিয়ে যাবেন না তো। সংশয় থেকেই পরিচালককে কথাটা বললেন। অভয় দিলেন রাফী, তিনি তাঁর শিল্পীদের কখনো ‘মিসইউজ’ করেন না। ভরসা পেয়ে কাজে ডুবে গেলেন। সিদ্ধান্তটা যে ভুল ছিল না, সেটা গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিনেমাটির টিজার মুক্তির পর থেকেই বুঝতে পারছেন। সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশংসা করছেন।
আলোচিত নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ ছাড়াও চৈতীর কাছে আলাদা হয়ে আছে সিনিয়র শিল্পীদের সান্নিধ্য। ‘চঞ্চল ভাই, তুষি আপুসহ সিনিয়র সবাই খুব সাহায্য করেছেন। আমার নার্ভাসনেস কাটানোর জন্য মজা করেছেন। লাঞ্চের পর দেখা যেত, চঞ্চল ভাই আমার সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতেন। এসব আমার জন্য বড় পাওয়া,’ বললেন চৈতী। কথায় কথায় একটা মজার ব্যাপারও শেয়ার করতে ভুললেন না এই তরুণ অভিনেত্রী, হরর সিনেমা আন্ধার–এ তাঁর কাজ ছিল সবাইকে ভয় দেখানো; কিন্তু বাস্তবে সেটের সবার মধ্যে তিনিই নাকি সবচেয়ে ভীতু!
