চুরি হয়নি অদম্য স্বপ্ন, ৮৪ বছর বয়সেও ভারোত্তোলনে জীবন উৎসর্গ মজিবুরের


এ ছাড়া সুবিধাবঞ্চিত ও অনাথ শিশুদের স্কুলে ভর্তি করানো, প্রতিবন্ধী তিন শিশুকে হুইলচেয়ার দেওয়া এবং ষষ্ঠ শ্রেণিপড়ুয়া অনাথ মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালানোসহ নানা সামাজিক কাজ করেন তিনি। দোকানে গিয়ে একসঙ্গে ১০ থেকে ১৫টি খাতা কিনে বিতরণও করেন। ১৯৮৮ সালের প্রলয়ংকরী বন্যায় ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার পৌঁছে দেওয়ার কাজও করেছিলেন তিনি।

২০১৪ সালে ৩৫ বছর বয়সে বড় ছেলেকে অকালে হারান মজিবুর রহমান। বর্তমানে স্ত্রী পেয়ারা বেগম, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে তাঁর সংসার। তিনি বলেন, ‘অতীত নিয়ে আফসোস করি না, কাল কী খাব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করি না। বর্তমানটাই আমার সব। ভারোত্তোলনের এই ছেলেমেয়েরাই আমার পরিবার।’

তিনি বাউল, লালনগীতি ও ভাওয়াইয়া গান পছন্দ করেন। প্রয়াত পপ সম্রাট আজম খান ও ফকির আলমগীর ছিলেন তাঁর বন্ধু। পুরোনো দিনের উত্তম কুমার, দিলীপ কুমার ও দেব আনন্দের সিনেমার ভক্ত মজিবুর রহমান একসময় এফডিসিতে গিয়ে শুটিং দেখতেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *