ফেসবুক পোস্ট ঘিরে শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
ইব্রাহীম আরও বলেন, এরপর তাঁর মাকে ফোন করা হয়। একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লে প্রাধ্যক্ষ কিছুটা শান্ত হন। পরে তাঁকে পানি ও ফল দেওয়া হয় এবং ঘটনাটি কাউকে না জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইব্রাহীমের ভাষ্য, ফেসবুকে ওই পোস্ট দেওয়া শিক্ষার্থীকে না পেয়ে তাঁকেই ডেকে আনা হয়েছে বলে প্রাধ্যক্ষ তাঁকে জানিয়েছেন। এমনকি ওই শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করে ‘শায়েস্তা’ করার কথাও বলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন বলেন, ওই শিক্ষার্থী তাঁর সম্পর্কে ‘সঠিক নয়’ এমন কিছু কথা ফেসবুকে লিখেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে হল সংসদের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁকে ডেকে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষার্থী কথোপকথন রেকর্ড করছিলেন বুঝতে পেরে ফোনটি বের করতে বলা হয় এবং পরে রেকর্ড করা বিষয়টি শিক্ষার্থী নিজেই মুছে দেন।
প্রাধ্যক্ষ বলেন, শিক্ষার্থী তাঁর লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএসের প্ররোচনায় তিনি পোস্টটি করেছিলেন। পরে তিনি শিক্ষার্থীর মাকে ফোন করে বিষয়টি জানানোর উদ্যোগ নেন। তবে শিক্ষার্থীর মা অসুস্থ জানতে পেরে তাঁকে আর এতে না জড়িয়ে বিষয়টি ‘মিটমাট হয়ে গেছে’ বলে জানানো হয়।
