কলকাতার হোটেলে আগুনে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে সাতজন হয়েছে।
শিখা ইন্টারন্যাশনালের বিপরীতে একটি কার্পেটের দোকানের কর্মচারী রাশেদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘মোটামুটি রাত দেড়টা নাগাদ একজন মহিলা ও একজন পুরুষকে ওপরের ওই জানালা (ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের মুখোমুখি) থেকে চিৎকার করতে শোনা যায়। অনেকেই ভয়ে বেরোননি।’ হোটেলের একটি বাড়ি পরেই নিউমার্কেটের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। রাশেদ জানান, ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, আগুনটা লেগেছিল ভবনের পেছনের দিকে।
ভবনের পেছনের দিকে গিয়ে দেখা যায়, একটি বিশাল এয়ারকন্ডিশন মেশিন ও সংলগ্ন পাঁচিল ধোঁয়ায় কালো হয়ে গেছে। শিখা ইন্টারন্যাশনাল ছাড়াও ওই চত্বরে আরও চারটি হোটেলের সাইনবোর্ড দেখা যায়। সেগুলো হলো স্টার সিটি, ডিম্যাট্রিক, তইবা ও মরিয়ম। এসব হোটেলের যথাযথ কাগজপত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফল বিক্রেতা এনামুল একই এলাকার একটি বাসায় থাকেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের এবং ভারতের অন্য রাজ্যের মানুষ এ অঞ্চলে এসে হোটেল খোঁজেন, তাই এখানে কিছুদিন অন্তর নতুন হোটেল তৈরি হয়।’ এনামুলের পাশে দাঁড়ানো একজন পুলিশ সদস্য মন্তব্য করেন, এই অঞ্চলে বড়সংখ্যক হোটেলেরই বৈধ কাগজপত্র নেই।
