ঝামেলা যখন বেস্ট ফ্রেন্ডের গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে
তাহলে জনপ্রিয়তার রহস্য কোথায়?
প্রথমত, বিষয়টি পরিচিত। পৃথিবীর প্রায় সব দর্শকই কোনো না কোনোভাবে বন্ধুত্ব ও প্রেমের দ্বন্দ্ব বুঝতে পারেন। দ্বিতীয়ত, কমেডির মোড়ক। গল্পে আবেগ থাকলেও সিনেমাটি ভারী হয়ে ওঠে না। ঝগড়া, ঈর্ষা, পরিকল্পনা আর পাল্টা পরিকল্পনা—সবকিছুই হাস্যরসের মধ্যে দিয়ে এগোয়।
তৃতীয়ত, চরিত্রগুলোর সম্পর্কের টানাপোড়েন। দর্শককে বারবার ভাবতে হয়, ওলি কি সত্যিই বন্ধুকে রক্ষা করতে চাইছে, নাকি নিজের একাকিত্ব থেকে পালাতে চাইছে? রেবেকা কি মাতসেকে বন্ধুর কাছ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে, নাকি নিজের সম্পর্কটাকে রক্ষা করছে?
সবশেষ কারণ সম্ভবত নেটফ্লিক্সের মতো বৈশ্বিক পৌঁছানো। জার্মান ভাষার একটি সিনেমা খুব সহজেই বিশ্বের নানা দেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত এটি কার গল্প?
শুধু মাতসে ও রেবেকার প্রেমের গল্প নয়। শুধু ওলির বন্ধুত্বের গল্পও নয়। এটি আসলে সেই মুহূর্তের গল্প, যখন জীবনে পরিবর্তন আসে এবং পুরোনো সম্পর্কগুলোকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। মাতসে প্রেমে পড়েছে। রেবেকা নতুন সম্পর্ককে নিজের মতো করে গড়ে তুলতে চায়। আর ওলি ভয় পাচ্ছে, তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটিকে সে হারিয়ে ফেলবে। এই তিনজনের টানাপোড়েনই ‘মাই বেস্ট ফ্রেন্ড, হিজ গার্লফ্রেন্ড অ্যান্ড মি’-এর মূল আকর্ষণ।
আইএমডিবি, নেটফ্লিক্সডটকম ও ভ্যারাইটি অবলম্বনে
