ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকি, তেল রপ্তানি বন্ধের পাল্টা হুমকি
এর আগে স্কট বেসেন্ট চীনকে আহ্বান জানান, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে চীন আমদানি করা তেলের প্রায় অর্ধেক উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমদানি করে থাকে। জবাবে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সমস্যার সমাধান দেবে না।’ তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগেই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি চাপে ছিল। হামলায় দেশটির অবকাঠামোর কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে তেহরান প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান ধরে রাখলেও ইরানের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ বাড়লে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে। এতে আবার বিক্ষোভ শুরু হতে পারে। ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা আরও কমে যেতে পারে।
যুদ্ধ শুরুর আগে থেকেই ইরানের অর্থনীতি নানা সমস্যায় জর্জরিত। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল মুদ্রা, জ্বালানিসংকট, নিষেধাজ্ঞা ও নানা কাঠামোগত দুর্বলতা প্রকট। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অবকাঠামোজনিত ক্ষতি, বাণিজ্য বাধা, উৎপাদন কমে যাওয়া ও পুনর্গঠনের বাড়তি ব্যয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সর্বশেষ সরাসরি আলোচনা হয়েছিল গত জুন মাসে, সুইজারল্যান্ডে। এরপর কাতার, পাকিস্তান, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
