অকৃতকার্য হয়েছে সাত লাখ শিক্ষার্থী, নাকি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা


এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী। শতকরা হিসাবে ঝরে পড়ার হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ। ১০ বছর স্কুলে পড়াশোনার পর পাবলিক পরীক্ষার এমন ফলাফল আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র উন্মোচিত করেছে। এই জাতীয় বিপর্যয়ের দায়ভার কেবল কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের কাঁধে চাপানোর সুযোগ নেই; বরং শিক্ষার্থী, পরিবার, শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসন—সবাই এই ব্যর্থতার সমান অংশীদার।

এবারের ফলাফলে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো দুই দশকে সর্বনিম্ন পাসের হার এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর একসঙ্গে ঝরে পড়া। ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করতে না পারার পরিসংখ্যানটি রীতিমতো আতঙ্কের।

হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ন্যূনতম অধ্যবসায় না থাকাটা মূলত তদারকিহীনতা ও পেশাদারি দায়িত্বহীনতারই সম্মিলিত কুফল। অন্যদিকে ইংরেজি ও গণিতে দুর্বলতার কারণে মানবিক বিভাগে অর্ধেকেরও বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পরও লাখো শিক্ষার্থী যদি ভাষা ও গণিতের মতো মৌলিক দক্ষতায় দুর্বল থাকে, তবে নিছক দায় স্বীকার করে এ ব্যর্থতা ঢাকা যাবে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *