কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার (বিবিসিসি) একসময় ছিল পুডু জেলখানা।
তৎকালীন সময়ে সেলাঙ্গর প্রদেশ তথা কুয়ালালামপুরের প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা ছিল বাঙ্গুনান আবদুস সামাদ ও এর আশপাশের এলাকা। বাণিজ্যিক এলাকাটির কাছাকাছি হওয়ায় পুডুর সেই জঙ্গলে কারাগার নির্মাণ করা হয়েছিল ১৮৯৫ সালে। ১০১ বছর ব্যবহারের পর কারাগার বন্ধ করা হয় ১৯৯৬ সালে। অবশেষে ২০২২ সালে সেখানে চালু হয় বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার। চাকচিক্যময় কুয়ালালামপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে আরেক মিনি শহর। অন্ধকার তাড়িয়ে আলোর জগৎ হয়ে গেল একসময়ের বাঘে ভরা জঙ্গলটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যে কারাগার জাপানিরা ব্যবহার করেছিল যুদ্ধবন্দীর স্থান হিসেবে, সেখানেই আজ জাপানি কোম্পানির হাতে গড়ে উঠেছে শান্তির এক সিটি লালাপোর্ট—বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার (বিবিসিসি)। লালাপোর্টে কী নেই? আবাসিক হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট, সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট, সুউচ্চ অফিস ভবন, বিশাল শপিং মল, পার্ক, রুফটপ পার্ক, সবুজ টিলা, পানির পোয়ারা, ওয়াকওয়ে, উইকএন্ডে নানা উৎসব আয়োজন, ফুটসাল কোর্ডসহ খেলাধুলার নানা আয়োজন, সুপারমার্কেট, নানা দেশের নানা স্বাদের খাবার রেস্তোরাঁ, ফুডকোর্ট, সবুজ গাছপালা, ফুল-পাখি, পানশালার রঙিন সড়ক, জাপানি সংস্কৃতির নানা আনন্দ-উৎসব, লাইব্রেরিসহ নাগরিক জীবনের নানা অনুষঙ্গ স্তরে স্তরে সাজানো আছে বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টারে।
