মাদক সেবন-বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর পৌরসভার সলেমানপুর শেখ পাড়ায় মাদকদ্রব্য সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় রানা (৩২) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে সলেমানপুর শেখ পাড়া এলাকায় একটি চক্র মাদক সেবন ও কেনাবেচা করে আসছিল। যুবদল নেতা রানা এলাকায় এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং চক্রটিকে মাদক বিক্রিতে বাধা দেন। এর জের ধরে রানার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সলেমানপুর এলাকার চিহ্নিত মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত মিশন ও তার বাবা মিজানুর।
শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে রানার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মিশন ও মিজানুর। একপর্যায়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রানার ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন।
রানার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীরা রক্তপাত বন্ধ করতে তার মাথায় ১৭২টি সেলাই দেন। রানার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন।
এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত মিশন ও তার বাবা মিজানুরকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার পরপরই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
