কাজল সুইডেনে পড়তে এসে প্রথমে কাজ পাননি; সংকট ও হতাশায় দিন কাটে। পরে কোপেনহেগেনে ফার্নিচার ডেলিভারির কষ্টের কাজ করেন।
কাজল সহজে দমে যাওয়ার পাত্র নয়, কাজকর্ম না পেলেও বছরখানেক থাকা–খাওয়ার খরচ সে চালাতে পারবে, এই বিশ্বাস আছে, সঙ্গে তিন লাখ টাকা সে নিয়ে এসেছে। এখন পড়ালেখার চাপ বাড়ছে। প্রতি মাসে একটি করে কোর্স শেষ করতে হয়। পাস করলে ক্রেডিট যোগ হবে। এক বছর পর পর্যাপ্ত ক্রেডিট জমা না হলে সুইডেনের ভিসা এক্টেনশন হবে না।…
