হৃদয়ে প্রশান্তি পেতে নবীজির শেখানো ৩টি দোয়া

হতাশা ও বিষণ্ণতা এমন এক অবস্থা, যেখানে মানুষ ধীরে ধীরে নিমজ্জিত হতে থাকে। মন খারাপ থাকলে মানুষের শরীরও অলস ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ইমান ও আত্মিক শক্তিকে সজীব রাখা অত্যন্ত জরুরি।  তাই মহানবী (সা.) প্রায়ই একটি দোয়াটি পাঠ করতেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২১৪০) উচ্চারণ: ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূব, সাব্বিত ক্বালবী ‘আলা দীনিক। অর্থ: হে…

Read More

সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আলীকে শেখানো নবীজির দোয়া

দোয়াটি উচ্চারণে খুবই সহজ এবং মনে রাখা কঠিন নয়। উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাহ্‌দিনী ওয়া সাদ্দিদ্‌নী। অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে সঠিক পথ প্রদর্শন করুন এবং আমাকে সরল-সঠিক পথে অবিচল রাখুন। নবীজি (সা.) দীর্ঘ কোনো প্রার্থনার কথা বলেননি; বরং মাত্র দুটি মূল শব্দের ভেতরে জীবনের যাবতীয় হেদায়েতের নির্যাস পুরে দিয়েছেন। এই দোয়াটির দুটি অংশ বিশ্লেষণ করলে এর আবেদন স্পষ্ট…

Read More

জান্নাত পাওয়ার জন্য একটি অমূল্য দোয়া

এই মূল্যবান দোয়াটি সুনির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে এটি পাঠ করার বিশেষ তাগিদ রয়েছে। যেমন আজান শোনার পর এই বাক্যটি পাঠ করলে গুনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ এসেছে।  (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৮৬) এছাড়াও সকাল ও সন্ধ্যার জিকিরের মধ্যেও এটি পাঠ করার মহান ফজিলত রয়েছে। নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার এই কথাটি বলবে, কেয়ামতের দিন…

Read More

বিপদ এলে নবীরা যেভাবে আল্লাহকে ডাকতেন

এই দোয়ায় কোনো জোরাজুরি নেই, সন্তান দিতেই হবে সেই শর্ত নেই। শুধু একটি আকুতি, ‘তুমিই সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী’। সন্তান না পেলেও–বা কী, তুমি তো আছ। এই আকুতির জবাবে আল্লাহ–তাআলা সন্তান হিসেবে নবী ইয়াহইয়াকে উপহার দিয়েছিলেন। আল্লাহর কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। ৫. বিপদে আল্লাহর নির্দেশ। আল্লাহ সুরা বাকারায় বলেন, ‘হে মুমিনগণ, ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য…

Read More