এআই ‘শাসনব্যবস্থায়’ ভূরাজনীতির টানাপোড়েন | প্রথম আলো


তবে এআই শাসনের জন্য আন্তর্জাতিক উদ্যোগ কম হয়নি। ২০১৯ সালে জি-২০-এর শেরপা হিসেবে আমি ওইসিডির সদ্য গৃহীত এআই নীতিমালা জাপানের ওসাকা সম্মেলনে অনুমোদনের জন্য নিয়ে যাই। পরের বছর ওইসিডি বৈশ্বিক এআই অংশীদারত্ব গড়ে তোলে, যার সদস্য এখন ৪৬টি দেশ। এতে যোগদানের সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত হলেও ওইসিডির নীতিমালা অনুমোদন করতে হয়। অথচ অনেক দেশই নীতিমালা তৈরিতে অংশ নিতে পারেনি।

২০২১ সালে ইউনেসকো এআইয়ের নৈতিকতা বিষয়ে সুপারিশমালা গ্রহণ করে। এটি তৈরির কাজ আমি তদারক করেছিলাম। জাতিসংঘের ১৯৪টি সদস্যরাষ্ট্র, যার মধ্যে চীনও রয়েছে, এটি গ্রহণ করে।

এসব সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফল হলো এআই নিরাপত্তা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালে এগুলোর আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক কার্যকর হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর লক্ষ্য ছিল সবচেয়ে উন্নত এআই–ব্যবস্থার ঝুঁকি মূল্যায়ন, ঝুঁকি নিরূপণের পদ্ধতি উন্নত করা এবং অভিন্ন নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি করা।

কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্ব এখন নিরাপত্তার চেয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত প্রতিযোগিতার দিকে সরে গেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে শক্তিশালী এআই নিয়ন্ত্রণ গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের যুক্তি হলো—নিয়ন্ত্রণ উদ্ভাবনকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রকে পিছিয়ে দেবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *