এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার মুখে টেপ দেওয়া মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
শুক্রবার রাতে প্রথম আলোকে ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ইসমাইল বেকার ছিলেন। জামালপুরে ইসমাইলের পরিবারের কাছে খবর পাঠানো হয়েছে। তারা জামালপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
ফরিদুল ইসলাম বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা) ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজন কয়েকটি গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। ইসমাইলকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে সন্দেহভাজন গাড়িগুলোর যেকোনো একটি থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গাড়িগুলো আটক করা গেলে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা যাবে।
