ঐতিহ্য-শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার পেলেন তিনজন
‘ঐতিহ্য-শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্য প্রকাশিত ১০ খণ্ড ‘শান্তনু কায়সার-রচনাবলি’র মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বুদ্ধিজীবী ও ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ভিডিও বার্তায় শান্তনু কায়সারকে একজন মানবিক অঙ্গীকারাবদ্ধ লেখক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
প্রকাশকের বক্তব্যে ঐতিহ্যের প্রধান নির্বাহী আরিফুর রহমান নাইম বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, পঁচিশ বছর আগে ঐতিহ্যের প্রকাশনা শুরুর কালে যে লেখকের দুটি বই ‘বাংলা কথাসাহিত্য: ভিন্ন মাত্রা’ এবং ‘ছোট্ট বন্ধুরা’ প্রকাশ করেছিলাম, আজ তার সমুদয় রচনা ঐতিহ্যের মাধ্যমে পাঠকের কাছে পৌঁছে যাবে।
তিনি আরো বলেন, ঐতিহ্য শুরু থেকে সাহিত্যের তরুণ-প্রতিভাবান কণ্ঠস্বরকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। বাংলাদেশের এখন প্রতিষ্ঠিত ৯০ ও শূন্য দশকের বহু তরুণ কবি ও লেখকের প্রথম বই প্রকাশের সঙ্গে কিন্তু ঐতিহ্যের নামটি জড়িয়ে আছে। ‘ঐতিহ্য শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার’ এমনই একটি তারুণ্যবান্ধব উদ্যোগ।
অনুষ্ঠানে শান্তনু কায়সারের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন নাট্যনির্দেশক ফয়েজ জহির। তিনি বলেন, শান্তনু কায়সার নাটকের মানুষ, সাহিত্যের মানুষ, সুষম সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্নের মানুষ। তার রচনাবলি প্রকাশ করে ঐতিহ্য এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে।
‘ঐতিহ্য-শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ বিজয়ী তিনটি গ্রন্থ নিয়ে আলোচনা করেন কথাসাহিত্যিক পাপড়ি রহমান। পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রন্থ তিনটি হলো—কবি হেমায়েত উল্লাহ ইমনের কবিতাগ্রন্থ ‘ফেনাফুল’, জুবায়ের রশীদের ডকুফিকশন ‘গালিবের মুশায়েরায়’ এবং নাট্যকার শরণ এহসানের নাটক ‘পুরনামা’।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারবিজয়ী লেখকদের ৫০ হাজার টাকার চেক, ক্রেস্ট ও প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, তাদের পুরস্কারবিজয়ী পাণ্ডুলিপিগুলো এর আগে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ ঐতিহ্য থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে।
