ওসি নিজাম উদ্দিন হাওলাদার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নজরুল ইসলামের গলিত মরদেহ উদ্ধারের বিবরণ দেন, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার অংশ।
সেদিন রাতে থানায় ফিরে মরদেহটি দেখেন উল্লেখ করে নিজাম উদ্দিন বলেন, পচন ধরায় তিনি শুধু লাশের বাহ্যিক অবস্থা দেখেন। পরদিন লাশ ময়নাতদন্তের পর অজ্ঞাত বিধায় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়।
লাশ পাওয়ার চার থেকে পাঁচ দিন পর খুলনার বিডিআর সেক্টর থেকে একজন কর্নেল ফোন দিয়ে লাশের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান বলে উল্লেখ করেন নিজাম উদ্দিন। তিনি বলেন, সেই কর্নেল বলেন, একজন বিডিআর সদস্য থানায় আসবেন। সেই বিডিআর সদস্যকে যেন কাগজপত্র দিয়ে তিনি সহায়তা করেন।
এ ছাড়া লাশ পাওয়ার দুই দিন পর এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন দেন উল্লেখ করে নিজাম উদ্দিন বলেন, সেই ব্যক্তি দাবি করেন প্রাপ্ত মরদেহটি তাঁর ভাইয়ের। দুই–তিন মাস আগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থেকে তাঁর ভাই অপহৃত হন। এ বিষয়ে তাঁরা কোটালীপাড়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেছেন।
