গোয়ালন্দে ঘরে ঢুকে চা–দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
শনিবার বিকেল চারটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, টিনের একটি ঘর ঘিরে রেখেছেন পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা। বাড়ির উঠানে ফারুকের বাক্প্রতিবন্ধী বাবা খালেক শেখ কাঁদছিলেন। অন্য একটি ঘরে আহাজারি করছিলেন জোসনা খাতুন। বাড়ির ভাড়াটে নারী অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন।
ফারুকের বড় ভাই বারেক শেখ বলেন, ‘আমরা খুনিদের কাউকে দেখিনি। পুলিশ দ্রুত খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিক।’
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যার কারণ কী এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি বলেন, ‘পুলিশ ও সিআইডি বিভিন্ন বিষয় সামনে রেখে কাজ করছে। আশা করি, দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।’
