গ্যাস সরবরাহ কমার পর বেড়েছে লোডশেডিং
বেলা দুইটায় চাহিদা ১৫ হাজার ২০৬ মেগাওয়াটে উঠলেও সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ১৩৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াটে। বিকেল পাঁচটায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট এবং সরবরাহ ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮০৪ মেগাওয়াট।
সন্ধ্যায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। সন্ধ্যা সাতটায় চাহিদা বেড়ে ১৭ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট হলে সরবরাহ নেমে আসে ১৪ হাজার ৮১৫ মেগাওয়াটে। এ সময় লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াট। রাত ৯টায়ও ২ হাজার ৪৪৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। বৃষ্টি না হলে বৃহস্পতিবারও ভুগতে হতে পারে লোডশেডিংয়ে।
অর্থাৎ দিনের শুরুতে যেখানে লোডশেডিং প্রায় ছিল না, সন্ধ্যার পর তা আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
