চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণের কাজ পেতে জালিয়াতি, জি কে শামীমের বিচার শুরু
আদালত সূত্র জানায়, ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর জি কে শামীমসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদক সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম জেলা–১–এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলাম। এতে বলা হয়, ৭৫ কোটি টাকার ওই প্রকল্পের কাজ নিতে জি কে শামীমের প্রতিষ্ঠান দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স–জিকেবিএল (জেভি) ‘প্রতারণা ও জালিয়াতির’ আশ্রয় নিয়েছে। কাজ পেতে দরপত্রের সঙ্গে যে কাগজপত্র দেওয়া হয়, সেখানে জালিয়াতি করা হয়েছে। কোম্পানি–সংক্রান্ত তথ্যও পাল্টানো হয়েছে।
প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে কোম্পানির প্রকৃত নিবন্ধিত নামের সঙ্গে একক মালিকানাধীন ফার্মের নাম যুক্ত করে রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে এবং নিবন্ধিত শেয়ারের চেয়ে বেশি সংখ্যার শেয়ার দেখিয়ে দরপত্র জমা দেওয়া হয়। কাজ পেতে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা, বিগত পাঁচ বছরের বহুতল ভবন নির্মাণকাজ শেষের সনদ ও অতীতের টার্নওভারের যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর ক্ষেত্রেও বানানো কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় বলে দুদকের মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা হয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ষষ্ঠ একাডেমিক ভবনের (দ্বিতীয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ) নির্মাণকাজ পায় দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স–জিকেবিএল (জেভি)।
