চেয়ারম্যানশূন্য পিএসসি, ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির কী হবে
চলতি বছরের নভেম্বরে ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার কথা। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিচ্ছিল সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। হঠাৎ কমিশনের চেয়ারম্যানের পদত্যাগে তাতে ছন্দপতন ঘটেছে। ফলে আগামী নভেম্বরে যথাসময়ে ৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
পিএসসি সূত্র বলছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে শূন্যপদের তথ্য এখনো আসেনি। মন্ত্রণালয় শূন্যপদের তথ্য পাঠালে তারপর পিএসসি কাজ শুরু করবে। এর মধ্যে সরকার পিএসসিতে চেয়ারম্যান নিয়োগ দিলে নভেম্বরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে কোনো অসুবিধা হবে না। তবে যদি দ্রুত চেয়ারম্যান নিয়োগ না হয়, তাহলে কমিশন সভা হবে না। এতে বিজ্ঞপ্তির সময় পেছানোর আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় কমিশনের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করে জাগো নিউজকে বলেন, ‘নিয়মিত বিসিএস আয়োজন ও শেষ করার ধারা বজায় রাখতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ৫০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা চলমান।
তিনি আরও বলেন, ‘৫১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির জন্য প্রথা অনুযায়ী- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ক্যাডারভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা পিএসসিতে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের শূন্যপদের তালিকা পাওয়ার পর পদসংখ্যা চূড়ান্ত করা হবে। পদ নির্ধারণ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিএসের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করবে কমিশন।’
চেয়ারম্যান না থাকায় কাজে বিলম্ব বা বিঘ্ন ঘটবে কি না এমন প্রশ্নে ওই সদস্য বলেন, ‘চেয়ারম্যান না থাকায় স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে পিএসসি। তবে বিজ্ঞপ্তিতে দেরি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ না হলে তখন যথাসময়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে প্রভাব পড়তে পারে।’
পিএসসির চেয়ারম্যান পদে নতুন নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. তৌফিক ইমাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘যিনি ছিলেন, তিনি অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন। তাকে এখনো অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা নেই। পাশাপাশি পিএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদ সরকারও ফাঁকা রাখতেও চায় না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই এ নিয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখতে পাবেন।’
এএএইচ/ইএ
