জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা


লারাক দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে তেহরান বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিটি হামলার জবাব হবে আরও বিধ্বংসী।

ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পানিশমেন্ট অব দ্য অ্যাগ্রেসর’ বা ‘আগ্রাসনকারীর শাস্তি’ নামে পরিচালিত যৌথ অভিযানে জর্ডানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির দাবি, হামলায় ঘাঁটিগুলোর কারিগরি ও মেরামত অবকাঠামো এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের স্থান ধ্বংস হয়েছে। এতে ‘উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরানি বাহিনী। তবে আইআরজিসির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকেও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘আগ্রাসন ও অপরাধের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির ওপর ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার চেষ্টা সফল হবে না। প্রতিটি হামলার জবাব আরও বিধ্বংসীভাবে দেওয়া হবে।’

এদিকে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ‘কৌশলগত ও মারাত্মক ভুল’ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইআরজিসির মুখপাত্র সরদার মোহেবি।

ইরানের ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে মোহেবি বলেন, লারাকে হামলার পরিণতি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অর্থনৈতিক ও সামরিক—উভয় ক্ষেত্রেই’ ভোগ করতে হবে।

লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলা এবং এর পাল্টা জবাবে জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলেছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *