জাতীয় আদিবাসী পরিষদ বলেছে, বাঙালি ও আদিবাসী সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তবে বাঙালিরা আদিবাসী নন এবং আদিবাসীরাও বাঙালি নন।


বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, রংপুরসহ সিলেট ও খুলনা বিভাগে সাঁওতাল, মুন্ডা, ওরাঁও, বেদিয়া (মাহাতো), কুর্মি (মাহাতো), রাজোয়ার, তুরি, লোহার, মালো, পাহাড়িয়া বা মালপাহাড়িয়া, গঞ্জু, ভূমিজ, বাগদি, মাহালী, মুসহর, কোল, ভূইমালি, বড়াইক, কোচ, তেলী, গড়াইত, নুনিয়া, ভুইয়া, রবিদাস, রাজভর, কাদর, হাড়ি, পাটনিসহ ৩৮টির বেশি জাতিসত্তার মানুষ বসবাস করে। সংগঠনটির দাবি, এসব জাতিসত্তার মানুষের সংখ্যা ৩০ লাখের বেশি।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদ আরও বলেছে, ‘আদিবাসী’ পরিচয় শুধু সামাজিকভাবে ব্যবহৃত একটি শব্দ নয়; শিক্ষা ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীতিতেও এ শব্দের ব্যবহার রয়েছে। ১৯৪৪ সালে নওগাঁর বদলগাছীতে পাহাড়পুর বা সোমপুর বৌদ্ধবিহারের কাছে ‘পাহাড়পুর আদিবাসী উচ্চবিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। উত্তরবঙ্গেই ‘আদিবাসী’ নামযুক্ত ৬৫টির বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *