দাদিকে হত্যায় কলেজছাত্রের যাবজ্জীবন


খুলনায় দাদিকে হত্যার দায়ে কলেজ ছাত্র মো. খলিল মোড়ল ওরফে ইরফানকে (২১) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ের আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী (উচ্চমান সহকারী) মো. মাজাহারুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পাইকগাছা উপজেলার শ্রীকন্ঠপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. কামরুল মোড়লের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদলতের সূত্র জানান, ইরফান ছাত্র হলেও খারাপ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই দাদিকে মারধর করতেন। মা নেশার জন্য ছেলেকে টাকা দিতেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে দাদির ওপর চলত নির্যাতন। ফলে ইরফানকে পুলিশে ধরিয়ে দেয় তার বাবা। পরবর্তীতে মা ইরফানকে পুলিশের কাছে থেকে ছাড়িয়ে আনে। 

২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর সকালে নেশার টাকার জন্য বাড়িতে বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করে ইরফান। দাদি তাকে বাধা দেয়। নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য ওই দিন দুপুর ১২টার দিকে ডাব পাড়ার জন্য গাছে উঠলে ইরফানকে বাধা দেয়। ওই দিন দুপুর দেড়টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ধারালো দা দিয়ে দাদিকে আঘাত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। 

ওই দিন এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ফুলি বেগম বাদী আদালতে মামলা দায়ের করেন। 

২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (অপা) দেবাশীষ দাশ মো. খলিল মোড়ল ওরফে ইরফানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

২০২২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সিনিয়র দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরীর আদালতে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। পরে মামলাটি খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *