দেশে নতুন করে ম্যালেরিয়া, এইচআইভি–এইডসের মতো রোগের সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইন–সংক্রান্ত একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ। তিনি জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের এই টিকা গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এ ছাড়া তীব্র সংক্রমণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি টিকার কোনো উপাদানে গুরুতর অ্যালার্জি হলে তাঁদের টিকা গ্রহণে বিরত থাকতে হবে।
হালিমুর রশিদ বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে কলেরাজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুহার ৯০ শতাংশ কমানো। দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও স্থায়ী নিয়ন্ত্রণে কাজ করা।
এই টিকা শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় করে কলেরার জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করে বলে উল্লেখ করেন হালিমুর রশিদ। তিনি বলেন, তবে টিকাদানের পাশাপাশি নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
মোট ৫১ লাখ ৭৫ হাজার ২৫ জনকে ১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ৫৪ ডোজ টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে বলে জানান হালিমুর রশিদ।
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মোট ১৪টি এলাকায় এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়। এই ক্যাম্পেইনে সহযোগিতা করছে টিকাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জোট গ্যাভি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, আইএফআরসি ও আইসিডিডিআরবি।
