নেপাল–তিব্বতে নিহত বেড়ে ৭৯৭, আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি কমেনি
নেপালে গতকাল আবার ভারী বৃষ্টি হওয়ায় ত্রিশূলী নদীর পানি বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারীদের দ্রুত উঁচুতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া এবং নতুন করে বন্যার আশঙ্কায় গত শুক্রবার থেকে বেশ কয়েক দফায় উদ্ধার তৎপরতা স্থগিত রাখতে হয়েছে।
উদ্ধারকারীদের একটি বড় দল জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সুড়ঙ্গে (টানেল) আটকে পড়া শত শত কর্মীকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে। বরফ, পাথর ও কাদার স্রোত এসে এসব সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী জানিয়েছেন, সাধারণ উদ্ধারকাজে তাঁদের সক্ষমতা থাকলেও সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে সেটা নেই। ডিএনএ পরীক্ষা, লাশ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ হিমঘর এবং অর্ধগলিত মরদেহ শনাক্ত করার আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তাঁদের জরুরি আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞরা সুড়ঙ্গগুলো খোলার কাজে নেপালকে সহায়তা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
