‘বাঁচতে চাইলে সব দে’, ঢাকায় ঢুকেই যাত্রাবাড়ীতে তাঁরা অপরাধের শিকার
যাত্রাবাড়ী এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে বিগত ১৯ মাসে যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের একজন কাওসার হাওলাদার (২৫)। গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল মাদ্রাসা বাজার এলাকায় তাঁকে ছিনতাইকারীরা খুন করে বলে পুলিশ বলছে। গত বছরের ১৫ নভেম্বর খুন হন মো. ইউসুফ নামের এক অটোরিকশাচালক। ২০ ডিসেম্বর যাত্রাবাড়ীর চৌরাস্তা এলাকায় রাত একটার দিকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কাপড় ব্যবসায়ী আশীষ জোয়ারদার নিহত হন।
ইউসুফের বাবা মো. খোকন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ছেলের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। রাত ১০টার পর থেকে ছেলে আর ফোন ধরেননি। তিনি বলেন, ভোররাত ৪টার দিকে তাঁর মেয়ের ফোনে এক ব্যক্তি ইউসুফের লাশ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
খোকন আরও বলেন, পুলিশ এক আসামিকে ধরেছিল। তিনি জামিন পেয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, ছেলে হত্যার বিচার তিনি চান। তবে বিচার পাবেন কি না, সে সংশয় তাঁর রয়েছে।
এদিকে গত সোমবার ছিনতাইয়ের অভিযোগে মারধরের শিকার হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। যুবকের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই যুবককে নিয়ে আসা অটোরিকশাচালক ইসরাফিল সাংবাদিকদের বলেন, যাত্রাবাড়ী বাসস্টেশন এলাকায় এক নারীর কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার সময় ওই যুবক হাতেনাতে ধরা পড়েন। পরে ওই নারী তাঁকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে চলে যান। এরপর সেখানে উপস্থিত লোকজন ওই যুবককে পিটুনি দেন।
