ব্রড-ফিনরা কি টেস্ট জয়ের পরও বাংলাদেশকে খোঁচা দিলেন
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে এবার কথার লরাইয়ে জড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটাররা। আলোচনাটা শুরু হয়েছিল যখন ইংলিশরা খোঁচা দেয় অজিদের।
‘লাভ অফ ক্রিকেট’ পডকাস্টে ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টিভেন ফিন ও স্টুয়ার্ট ব্রড অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান দল নিয়ে রসিকতা করছিলেন। একপর্যায়ে ফিন প্রশ্ন তোলেন, ২০১০ সালের পর এটিই কি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বাজে দল কি না? বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার এমন হারের পরই মূলত বর্তমান দলটির মান নিয়ে এই আলোচনা।
এই কথাটি আবার চোখ এড়ায়নি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই আলোচনার পোস্টে মন্তব্য করে তিনি বাংলাদেশকে অসম্মান না করার আহ্বান জানান।
ওয়ার্নারের মন্তব্যের জবাবে ফিন অবশ্য বিষয়টি পরিষ্কার করে দেন। তাঁর বক্তব্যের সারকথা, বাংলাদেশকে অসম্মান করার কোনো উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না। বরং টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানই তিনি তুলে ধরেন। বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে চতুর্থ, ইংল্যান্ড সেখানে সপ্তম।
ফিন-ওয়ার্নারের কমেন্ট
এরপর আলোচনায় যোগ দেন ব্রডও। ওয়ার্নারের মন্তব্যের জবাবে ইংল্যান্ডের সাবেক এই পেসার জানান, বাংলাদেশকে অসম্মান করা হয়নি। বরং এই মুহূর্তে বাংলাদেশই তাঁর পছন্দের দল।
অর্থাৎ, ডারউইনের জয় বাংলাদেশকে শুধু একটি ঐতিহাসিক জয়ই এনে দেয়নি, এনে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাড়তি সম্মানো। আর সেখানেই লুকিয়ে আছে এই জয়ের আসল গুরুত্ব। কারণ ক্রিকেটে বড় দলের বিপক্ষে জয় আর অপেক্ষাকৃত ছোট দলের বিপক্ষে নিয়মিত জয়ের প্রভাব এক নয়। জিম্বাবুয়ে কিংবা বর্তমান পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ যদি একের পর এক ম্যাচ জিতলেও, বিশ্ব ক্রিকেটে তেমন আলোচনা তৈরি হবে না। কিন্তু অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে ৯ উইকেটে হারানো বিশ্ব ক্রিকেটকে ভিন্ন মাত্রা দেয়।
বিশেষ করে যে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে ছিল প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও নাথান লায়নের মতো বিশ্বমানের বোলার আছেন। টেস্টে এই বোলিং চতুষ্টয়ের স্মমিলিত উইকেট সংখ্যা ১৬২০টি। সেই দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং-বোলিংয়ের এমন দাপটই এখন আলোচনার মূল কারণ, গোটে ক্রিকেট বিশ্বেই।
