ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে আলোচনা
ভারত থেকে প্রায় ২৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির মধ্যে এ খাতে দেশটির সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও বাড়ানোর কথা বলেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ।
চলতি অগাস্টের শুরুর দিকে ভারত সফরে গিয়ে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব পঙ্কজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠকে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে তিনি আলোচনা করেছেন বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যম।
ওই সফর নিয়ে বিজনেস ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিরানা মাহরুখ বলেন, “আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করছি এই অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় হবে।”
ভারতের একজন মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, “উভয় পক্ষই প্রতিষ্ঠিত কাঠামোগত ব্যবস্থার মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ বিদ্যুৎ খাতের সম্পৃক্ততা আরও জোরদারে একমত হয়েছে।”
বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য, সঞ্চালন সংযোগ, মৈত্রী বিদ্যুৎ প্রকল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে সহযোগিতার ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে ২ হাজার ৭৫৬ মেগাওয়াট এবং নেপালের সঙ্গে ৪০ মেগাওয়াটের আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তি রয়েছে বাংলাদেশের।
আলাদা আলাদা চুক্তির অধীনে ভারতের আদানি পাওয়ার, এনটিপিসি, সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়া ও পিটিসি ইন্ডিয়া থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। এরমধ্যে আদানির ঝাড়খণ্ড প্ল্যান্ট থেকে ২০২৪-২৫ সালে ৮ হাজার ৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়।
মাহরুখ বলেন, “জ্বালানি চুক্তিতে বিশেষ করে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা করি। এই সহযোগিতা ২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের প্রকল্পগুলোতেও বিস্তৃত এবং রামপাল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।
“আমাদের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করব। এবার নজর আঞ্চলিক জ্বালানি সংযোগের ওপর। যেমন বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল) এর মত প্রকল্পগুলোতে।
“সফরে এমন কিছু বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা করেছি, যা বাংলাদেশে সরবরাহ বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি ক্লিন এনার্জি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মনে হয় হাইড্রোজেন ও সবুজ জ্বালানি প্রকল্পে ভারতের সঙ্গে অংশীদার হতে পারি। ভারত গবেষণায় অত্যন্ত দক্ষ এবং আমরা একসঙ্গে কয়লা থেকে শক্তি উৎপাদনের পাশাপাশি এর উপজাত বস্তুগুলোকেও কাজে লাগাতে পারি।”
বাংলাদেশ জার্নাল/জে
