মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতির আরও অবনতি, শিশুকে দিয়ে সরানো হয় দেহাবশেষ


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ ও বৈধতা অর্জনে সামরিক বাহিনীর ক্রমাগত চেষ্টা কেবল বেসামরিক জনগণের ভোগান্তি এবং তাদের জীবনযাত্রার বহুমুখী ঝুঁকি ও মানবিক সংকটকে আরও গভীর করেছে। ভয় ও নিয়ন্ত্রণ আরোপের সামরিক কৌশল জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে গ্রাস করেছে। নজরদারি বাড়াতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এ কাজকে আরও সহজতর করেছে।

বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী সহিংসতার ঘটনাগুলো তুলে ধরে প্রতিবেদনে বিমান হামলা, অগ্নিসংযোগ, উচ্ছেদ ও সহায়তা প্রদানে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাগুলোর অব্যাহত ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ভয়াবহ সহিংসতার ৯ বছর পরও মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং ‘আরাকান আর্মি’—উভয়ের হাতেই রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিবরণ এতে স্থান পেয়েছে। ২০১৭ সালের ওই সহিংসতার কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর রাখাইনজুড়ে আরাকান আর্মি নির্বিচারে গ্রেপ্তার, নির্যাতন, যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, গুম, জোরপূর্বক কাজ করানো ও নিয়োগ, জমি ও আবাসিক সম্পত্তি বেআইনিভাবে বাজেয়াপ্ত করা এবং গ্রাম, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে, যা রোহিঙ্গাদের নতুন করে বাস্তুচ্যুত করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *