যু্বদল নেতা মাসুদ হত্যা ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ২


চট্টগ্রামে যুবদল নেতা মাসুদ হত্যা মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যারা শীর্ষ সন্ত্রাস রায়হানের ‘সহযোগী’ বলে পুলিশের ভাষ্য।

সীতাকুণ্ড উপজেলার শীতলপুর এলাকা থেকে রোববার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেয়া স্বীকারোক্তিতে রাউজান থেকে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুই জন হলেন- মো. দিদার আলম (৩০) ও মো. আফসার মিয়া (৩০)। তারা রাউজান উপজেলার পূর্ব রাউজান শমসের নগর ব্যাপারি পাড়ার বাসিন্দা।

দিদার মামলার ৪ নম্বর ও আবসার এজাহারনামীয় ৬ নম্বর আসামি।

সোমবার (৩ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন দিদার ও আফসরাকে ধরা হয়েছে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে।

অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের কথা জানিয়ে পুলিশ সুপার মাসুদ বলেন, এসব অস্ত্র একটি বসতঘরের পেছনে মাটির নিচে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল।

গত ১৩ জুন রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহুনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদুল হককে।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই বেতাগী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন।

যেখানে প্রধান আসামি করা হয় আলোচিত সন্ত্রাসী রায়হানম ডেবিট ইমনকে আসামি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডে দুই জনই সরাসরি জড়িত ছিলে। তাদের এক জনের হাতে পিস্তল ও অপর একজনের হাতে বড় একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার আরও ৩

এদিকে গোয়েন্দা পুলিশের আরও দুইটি আলাদা অভিযানে হাটাহাজারিতে নুরুল আজিম হত্যা মামলার আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধার করার কথাও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তারা হলেন- হাটাহাজারি নুরুল আজিম হত্যা মামলার আসামি দিদারুল আলম (৪৭) ও জোরারগঞ্জ থানার একটি হত্যা চেষ্টা মামলার আসামি মো, বোরহান ও মো, রনি।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, গত ১০ জুলাই হাটাহাজারি উপজেলার মেখল ইউনিয়নে পূর্ব বিরোধের জেরে নুরুল আজম নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও গুলি করে খুন করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পরপরই প্রধান আসামি দিদার বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া, রাউজান, খাগড়াছড়ির লহ্মীছড়ি, সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ছিল। পুলিশি তৎপরতায় কোনো জায়গায় বেশিদিন স্থায়ী না হয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জে গিয়ে বাসা ভাড়া করেন।

পরে তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে হাটাহাজারিতে নিজের বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত এলজি ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।

এদিকে মিরসারাইয়ের হিংগুলী ইউনিয়নে এক ব্যক্তিকে হত্যা চেষ্টার মামলায় বোরহান ও রনি নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে বোরহানের দেওয়া তথ্যে তার মালিকানাধীন ওয়ার্কশপে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল ও নয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *