শায়রুল কবির খানের বোনের ইন্তেকাল, নেত্রকোনায় দাফন


বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও দৈনিক সময়ের আলোর উপদেষ্টা সম্পাদক শায়রুল কবির খানের ছোট বোন শিউলী খানম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মারা যান। বাদ আসর মোক্তারপাড়া জামে মসজিদে জানাজা শেষে নেত্রকোনা পৌর শহরের সাতপাই কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট শিউলী খানম স্ট্রোক করেন। পরে প্রথমে তাকে নেত্রকোনা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল এবং বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

শিউলী খানমের বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। তিনি মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন এবং গৃহিণী ছিলেন। তিনি স্বামী, সন্তান, জামাতা, পুত্রবধূ ও নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।

তার স্বামী নেত্রকোনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবসর নিয়েছেন। বড় মেয়ের স্বামী বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে কর্মরত। এক ছেলে পড়াশোনা শেষ করে ব্যবসা করছেন। ছোট মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। পরিবারের বাস নেত্রকোনা জেলা শহরে। 

বুধবার এক শোকবার্তায় বিএনপি সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রতিবেশীদের নিকট পরোপকারী ও ধর্মপ্রাণ মহিলা হিসেবে মরহুমা শিউলী খানম শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। মরহুমার প্রতিবেশী, পরিবারবর্গ ও আত্মীয়স্বজনদের মতো আমিও তার মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি। মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করি, তিনি যেন মরহুমা শিউলী খানমকে বেহেশত নসিব করেন।’

মির্জা ফখরুল শোকবার্তায় শিউলী খানমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পরিবারের পক্ষ থেকে শায়রুল কবির খান দেশবাসীর কাছে তার বোনের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

কেএইচ/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *