২০২৭ সালে কিছুটা স্বস্তি, ২৮ সালে আরও স্বস্তি, ৩০ সালে সংকটমুক্তি
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এখানে বলা হয়েছে, সাবেক সরকার পোষ্যদের লালন করার জন্য অনেকগুলো সুযোগ করে দিয়েছিল। আমরা নতুন করে কোনো পোষ্যদের হাতে পড়তে চাই না। দুষ্টচক্র থেকে বের হয়ে না এলে জাতি কোনো দিন স্বস্তি পাবে না।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অতীতকে শুধু দোষারোপ করে সমাধানে না গেলে হবে না। তাতে নতুন করে এ ধরনের আরও দুষ্টচক্র তৈরি হবে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সরকারি অর্থ যেভাবে খরচ হচ্ছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। পারিবারিক প্রতিষ্ঠান—যেখানে সরকারি স্বার্থের সংঘাত আসে; সেই বিষয়গুলো জড়িয়ে যাচ্ছে।
সরকারি দলের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আসুন, আমরা এই সংসদে সিদ্ধান্ত নিই, এখন থেকে নিজে আর নিজের ভাই, ভাতিজা নয়; যা করব, আমরা জাতির জন্য করব।’
দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট সক্ষমতার বিষয় নয়, বরং দুর্নীতি, ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা, সিদ্ধান্তহীনতা ও জবাবদিহির ঘাটতির ফল বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দয়া নয়, মানুষ বিল দেয়, মানুষ কর দেয়। বিলের টাকায় তার ঘরে আলো থাকবে, চুলায় আগুন জ্বলবে।’
