যুদ্ধ যেভাবে ইসরায়েল, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের কোণঠাসা করেছে
তবে, ইরানের অর্থনীতির ওপর যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব এবং তাদের সেনাবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও, তেহরানের সরকার এখনো টিকে আছে। আমেরিকান লেখক ও কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলার এমনটাই বলছেন।
মিলার আল–জাজিরাকে বলেন, ‘উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনো ওই দেশে রয়ে গেছে এবং তারা চাইলে এটি আরও সমৃদ্ধ করতে পারে। ইরান তাদের ভৌগোলিক অবস্থানকেও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, যার ফলে তারা হরমুজ প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।’
মিলার আরও বলেন, ‘একইভাবে, হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো তাদের সহযোগী শক্তিগুলো অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেলেও, তারা এখনো টিকে আছে এবং তাদের সক্ষমতা বজায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যে ধরনের গণরোষ বা অভ্যন্তরীণ বিভাজন আশা করেছিল, তেমন কিছুই ঘটেনি। ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতার দিক থেকে বিচার করলে, এটি তেহরানের জন্য একটি বিশাল সাফল্য।’
ইরানে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর এই সামরিক অভিযানের ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
মিলার বলেন, ‘ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রশাসন সম্ভবত আর কখনো এ ধরনের সামরিক অভিযানের কথা ভাববে না।’
