রঙিন সুরমা: প্রবাসে ছাত্রছাত্রীদের সংগ্রাম আর রাষ্ট্রের দায়িত্ব
দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে বাংলাদেশ সরকার ইউরোপ-আমেরিকার সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাংলাদেশে নিজেদের ক্যাম্পাস খোলার অনুমতি দেয়নি-তার হয়তো সঙ্গত কারণ আছে। কিন্তু উচ্চতর, উন্নততর পড়াশোনার জন্যে আমাদের ছেলেমেয়েদের বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার বিকল্পই বা কী? দেশের ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সুযোগ পাওয়া সহজ নয় এবং উচ্চতর গবেষণার সুযোগ সেখানে সীমিত।
মেধা, পরিশ্রম কিংবা সম্পদের জোরে যে সব ছাত্র-ছাত্রী শেষ পর্যন্ত বিদেশে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়, তাদের আরেক সংগ্রাম শুরু হয় সেখান থেকেই। নিজের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদপত্র আর নম্বরপত্র সংগ্রহ করা, বিদেশে ভর্তির ফি পাঠানো, ভিসাপ্রাপ্তির অকারণ এবং দুরূহ সব শর্ত পূরণ করা-এতোগুলো বেড়া সবাই ডিঙাতে পারে না।
হিমালয়সম বাধা পেরিয়ে আমাদের যেসব ছাত্রছাত্রী বিদেশে যান, তাঁদের জন্যেই বা আমরা কতটুকু করতে পারি? যে দেশে যাচ্ছেন, সে দেশের সংস্কৃতি, আচার, আইন-কানুনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তাঁদের পক্ষে দুর্লভ। প্রায় অপ্রস্তুত অবস্থায় বিদেশে গিয়ে ‘কালচারাল-শক’ সহ্য করতে হওয়াটা প্রায় অবধারিত।
